Posts

Roshni Kuhu Chakraborty

Image
(ছবি সৌজন্যে: সপ্তর্ষি দে) তারপর লাল রঙের ঝোপ, নীল রঙের ডালপালা ভেঙে একটু এগোতেই পুট্টুশ দেখল ওমা এত্ত জল?এত্ত? ইশ কী মজা এখানকার মানুষগুলোর। দূরে আবার নীল নীল গাছ দেখা যাচ্ছে। এত্ত এত্ত জল থাকলে কী যেন বলে মামমাম? জঙ্গল, হ্যাঁ জঙ্গলই হবে। দূরে কত্তগুলো গোলাপি গাছের নদী। আচ্ছা জঙ্গল বলে অনেক জল থাকলে? আর নদী বলে অনেক গাছ থাকলে? ও মামমাম কোনটা ঠিক? চারপাশে তাকিয়ে দেখল পুট্টুশ। না, মামমামকে দেখা যাচ্ছে না। অঙ্ক করছে বোধ হয়। প্যান্টুটা গুটিয়ে নিয়ে আস্তে আস্তে আরও একটু এগোল পুট্টুশ। খুব ইচ্ছে করছে জলের কাছে যেতে। পুট্টুশের মামমামও একদম জলের মতো। পাশে বসলেই একটুও ভয় নেই। ওমা, যেই বসতে যাবে মাটিতে। একটা তাবি পলে গেল হাত থেতে (চাবি পড়ে গেল হাত থেকে)। কী হল? লাল নীল গাছগুলো কই? ওই যে ঝাঁকড়া চুলের বাচ্চা ছেলেটা এত্ত এত্ত জলে উড়ে বেড়াচ্ছিল, সেই বা কোথায়? চোখ কচলে পুট্টুশ দেখল, ওর খাটের পাশে অনেকগুলো তার দেওয়া একটা ইয়া বড় জিনিস। পিরিং পিরিং করে কে যেন বাজাচ্ছে। ''কেউ কখনও খুঁজে কি পায় স্বপ্নলোকের চাবি? '' এ মা! এটা তো মামমামের মামমাম। পুট্টুশের দিদান বাজাচ্ছে। ঘুম ভাঙতেই ...
Image
এই ফুলটার সঙ্গে গতকালই পরিচয় হল। সদ্য প্রেমে পড়া কিশোরীর মতো রং। ক্লাস সিক্স থেকে সেভেনে উঠেছে যেন। তারপরই মেঘে ছাওয়া পাহাড়ের সঙ্গে আলাপ। এমনিতে জুকু লিলি হলেও ওকে চিত্রাঙ্গদা ফুল নাম দিয়েছি আমি। যে বিজ্ঞানী খুঁজে পেয়েছিল সে নাম রেখেছিল   Lilium Chitrangadae, নিজের মায়ের নামে। সত্যিই এ তো রাজেন্দ্রনন্দিনীই বটে। মণিপুর-নাগাল্যান্ড সীমান্তে নিজের মতো রোদ পোহাচ্ছে চিত্রাঙ্গদা ওরফে চিত্রা। মাঝে মাঝে উঁকি মেরে যে অঙ্ক খাতা নামিয়ে পাহাড়টাকে দেখছে না এমনটা নয়। এদিকে বেশি দেখলে আবার ওই ঘাসের বাড়ির ছেলেটা তৃণাঙ্কুর খিলখিল করে হাসবে। বলবে, ''হ্যাঁ রাজার মেয়ে তো, তাই নিয়ম মানতে হয়! চোখ মেলা যায় না! কেন রে চিত্রা এত সঙ্কোচ তোর।'' উফ বিরক্ত লাগে তৃণাঙ্কুরটাকে। সবসময় চিত্রার মুখ ভার কি না দেখা চাই ওর। একদিন কী হয়েছে, রোদ পোহাতে পাহাড়ের পাশেই এসে বসেছে। কিন্তু মাথা নিচু করে কী যেন লিখে চলেছে। বাবা বাঁচা গেল, আজ ঘাসের বাড়ির ছেলেটা নেই। থাকলেই তো শিস দোলাবে আর মাথা নাড়বে। তবে আজ পাহাড়ও মনে মনে একটু বেশিই খুশি যেন, রোদ ঝলমল করে হাসছে, প্রকাশ করতে পারছে না। চিত্রাকে বুঝতে দেও...
আমি এক্কেরে মদন। হ্যাঁ মশাই। লিখেই তো খাই। তা অ্যাদ্দিন জানতাম, ব্লগ লিখতে গেলে নাকি টাকাপয়সা দিয়ে সাইট ফাইট কিনতে হয় টয়। কী কাণ্ড। তা অনেক জন্মের পুণ্যির ফলে এক দুই খান বন্ধু আছে। তারা লিখতে টিখতে বলে। না, এখনও লেখার জন্য কোনও কর চালু হয়নি। হলে অবশ্য..তা যাক গে। যদিও অনেক দিন ধরে সিনিয়র মানে ওই আমার মা বলছে কেন লিখছি না, আহা লিখলে যেন কাল এসে আমায় পুলিৎজার দিয়ে টিয়ে যাবে। সিনিয়রের কথায় লেখা শুরু করলাম। তবে আরও তিন জনের কথা না বললেই নয়, আসলে মায়ের পর তারাই মানে বুড়ো ভট্ট ওরফে স্পন্দন, কৃশ কাকু মানে অ্যাংরি শিল্পী আর গ্রিক অ্যাক্টর মানে আমাদের রোহণ দ্য গ্রেটের কথায় হালকা ভাও খেয়ে খুলেই  ফেললাম ব ল গ। টাকা ফাকা লাগল না তো। গুগল থেকে এমনি এমনি ব্লগ খুলে ফেললাম টিনটিন আর সুদীপ বাবুর বুদ্ধিতে। প্রথম দিন ব্লগের। একটু মিষ্টি মুখ। ঠান্ডা ঠান্ডা কথা লেখার নিয়ম। গণেশ-লক্ষ্মীর মূর্তি, লেবু লঙ্কা কদম ফুল এসব কি ব্লগে ঝোলানো যায়? একটা মিষ্টি কথা বলে শেষ করি বরং। একটা বাচ্চা ছেলের ছবির কথা। একটা পালকির পাশে বসে আছে বলেই মনে হচ্ছে। সামনে একটা কাঠের ঘোড়া। বাচ্চাটার পোশাক দেখলে যদিও বোধার উ...