আমি এক্কেরে মদন। হ্যাঁ মশাই। লিখেই তো খাই। তা অ্যাদ্দিন জানতাম, ব্লগ লিখতে গেলে নাকি টাকাপয়সা দিয়ে সাইট ফাইট কিনতে হয় টয়। কী কাণ্ড। তা অনেক জন্মের পুণ্যির ফলে এক দুই খান বন্ধু আছে। তারা লিখতে টিখতে বলে। না, এখনও লেখার জন্য কোনও কর চালু হয়নি। হলে অবশ্য..তা যাক গে। যদিও অনেক দিন ধরে সিনিয়র মানে ওই আমার মা বলছে কেন লিখছি না, আহা লিখলে যেন কাল এসে আমায় পুলিৎজার দিয়ে টিয়ে যাবে। সিনিয়রের কথায় লেখা শুরু করলাম। তবে আরও তিন জনের কথা না বললেই নয়, আসলে মায়ের পর তারাই মানে বুড়ো ভট্ট ওরফে স্পন্দন, কৃশ কাকু মানে অ্যাংরি শিল্পী আর গ্রিক অ্যাক্টর মানে আমাদের রোহণ দ্য গ্রেটের কথায় হালকা ভাও খেয়ে খুলেই ফেললাম ব ল গ। টাকা ফাকা লাগল না তো। গুগল থেকে এমনি এমনি ব্লগ খুলে ফেললাম টিনটিন আর সুদীপ বাবুর বুদ্ধিতে। প্রথম দিন ব্লগের। একটু মিষ্টি মুখ। ঠান্ডা ঠান্ডা কথা লেখার নিয়ম। গণেশ-লক্ষ্মীর মূর্তি, লেবু লঙ্কা কদম ফুল এসব কি ব্লগে ঝোলানো যায়?
একটা মিষ্টি কথা বলে শেষ করি বরং। একটা বাচ্চা ছেলের ছবির কথা। একটা পালকির পাশে বসে আছে বলেই মনে হচ্ছে। সামনে একটা কাঠের ঘোড়া। বাচ্চাটার পোশাক দেখলে যদিও বোধার উপায় নেই সে খোকা না খুকি, সেটাই সবচেয়ে আশ্চয্যি। পায়ে আবার মলও আছে। খোকারা কি মল পরত এক সময়ে? উদাস ভাবে বসে পালকির গায়ে লাগানো একটা দড়ি টানছে ও। দড়িটা আবার সেই কাঠের ঘোড়াটার পায়ে বাঁধা। গরমের খাঁ খাঁ দুপুরে একটা বাচ্চা একা বসে আছে। কেউ নেই চারপাশে। ও কি মামাবাড়ি যাচ্ছিল? এত টুকু বাচ্চাকে একা বসিয়ে চলে গেল?
নন্দলাল বসু এঁকেছিলেন। খুব সম্ভবত বীরপুরুষের ছায়ায়। রোহণ পাঠিয়েছিল ছবিটা। ভুল করে ফোন থেকে মুছে ফেলেছি। কিন্তু বার বার ওই কাঠের ঘোড়াটা আমায় টানছে। ওই গরম কালের নির্ঝঞ্ঝাট দুপুরে ফিরলেই লেবু আর আখের গুড়ের শরবতের মতো নিরিবিলি হয়ে যাব ঠিক।
বেড়ে বেড়ে! প্রথম বলেই ছক্কা। :-)
ReplyDeleteলেখক বলছে । স্ক্রিনশট নিয়ে রাখি
Deleteজিও পাগলা!
ReplyDeleteএনকোর এনকোর...
থ্যাঙ্কু
Deleteশেষ লাইনটা পুরো পুষ্পা - I hate tears
ReplyDeleteদাদা খাইসে। তুমি পড়লে। মারধর খাবই এ বার
Deleteআরে বাহ। দারুণ শুরু।
ReplyDeleteদারুণ একটা কিছু করতে চলেছিল। অনেক আদর আর শুভেচ্ছা।
ReplyDelete